রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর:
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার গজঘণ্টা হাইস্কুল ও কলেজে গতকাল মঙ্গলবার বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে কলেজ মাঠে দিনব্যাপী এ আয়োজন বার্ষিক ক্রিড়া প্রতিযোগিতা ও পুরুস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন গজঘন্টা স্কুল ও কলেজ কর্তৃপক্ষ।
দীনব্যাপী ক্রিড়া প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহন করেন প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ । অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মাহমুদ হাসান মৃধা। তিনি বলেন, শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সুস্থ ও সৃজনশীল সমাজ গঠনে এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত কার্যকর।ইউএনও মাহমুদ হাসান মৃধা আরও বলেন, “বর্তমান প্রজন্মকে শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞানেই সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না, তাদের শারীরিক সক্ষমতা ও মনোবল বাড়াতে খেলাধুলার প্রতি উৎসাহী হতে হবে।” তিনি শিক্ষার্থীদের সাফল্য কামনা করে ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এ ধরনের আয়োজনের আহ্বান জানান।ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন গজঘণ্টা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান বকুল মিয়া, এবং অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন গজঘণ্টা হাইস্কুল ও কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল খালেক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,অধ্যক্ষ মুহাম্মদ আব্দুল গণী (সাবেক নায়েবে আমির, জামায়াতে ইসলামী, রংপুর জেলা শাখা),জাহাঙ্গীর আলম (আহ্বায়ক, বিএনপি, গজঘণ্টা ইউনিয়ন শাখা),আলী মো. শরিফুল ইসলাম (সাবেক সভাপতি, গজঘণ্টা হাইস্কুল ও কলেজ),শাহেদুল ইসলাম (সাবেক অধ্যক্ষ, গজঘণ্টা হাইস্কুল ও কলেজ),আলহাজ্ব আফরোজা জাফর (বিশিষ্ট সমাজসেবক ও সাবেক শিক্ষক, গজঘণ্টা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়) বর্ণাঢ্য প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীরা দৌড়, লং জাম্প, উচ্চ লাফ, ফুটবল, ক্রিকেটসহ নানা ইভেন্টে অংশ নেয়। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রধান অতিথি ইউএনও মাহমুদ হাসান মৃধা।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথিরা শিক্ষার্থীদের ক্রীড়া ও শিক্ষায় মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দেন এবং ভবিষ্যতে আরও ব্যাপক পরিসরে এ ধরনের আয়োজনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।সারাদিনজুড়ে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, আনন্দ-উল্লাস ও উৎসবের আমেজে মুখর ছিল গজঘণ্টা হাইস্কুল ও কলেজ। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদ হাসান মৃধার উপস্থিতি ও অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য শিক্ষার্থীদের দারুণ উৎসাহিত করে। অভিভাবক, শিক্ষক ও স্থানীয়দের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি স্মরণীয় হয়ে ওঠে।