নিজস্ব প্রতিবেদক :
সিরাজগঞ্জের সদর উপজেলার রতনকান্দি ইউনিয়নের ভেওয়ামারা গ্রামে শ্বশুর বাড়ি থেকে মেয়ের জামাইয়ের মরদেহ উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ শহীদ এম মুনসুর আলী মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে সদর থানা পুলিশ। নিহত তুহিন (১৮) একই ইউনিয়নের গজারিয়া গ্রামের ছামিদুল ইসলামের ছেলে।
তবে ঘটনাটি শ্বশুর বাড়ির লোকজন আত্মহত্যা করেছে বলে দাবী করলেও নিহতের পরিবার এটিকে পরিকল্পিত হত্যা বলে অভিযোগ করেন।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার রতনকান্দি ইউনিয়নের গজারিয়া গ্রামের ছামিদুল ইসলামের ছেলে নিহত তুহিন এর সাথে একই ইউনিয়নের ভেওয়ামারা গ্রামের গোলাম হোসেনের মেয়ে রিয়া খাতুনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর গত এক বছর ধরে তুহিন শ্বশুর বাড়ীতে ঘর জামাই থেকে আসছিল। গত শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে নিহতের পিতা ছামিদুল ইসলামকে শ্বশুর বাড়ী থেকে জানানো হয় তার ছেলে তুহিন ষ্টোক করেছে। রাতে সিরাজগঞ্জ শহরের বিভিন্ন হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এসময় নিহতের গলায় রশি পেঁচানোর দাগ ও বাম হাতের একটি আঙ্গুল ভাঙ্গা দেখে তুহিনকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠে।
এ ব্যাপারে নিহতের বাবা ছামিদুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, আমার ছেলেকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমি এই হত্যার বিচার চাই। এবিষয়ে সিরাজগঞ্জ সদর থানার উপ পরিদর্শক ( এসআই) মোঃ ইয়ামিন জানান, খবর পেয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সিরাজগঞ্জ শহীদ এম মুনসুর আলী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এব্যাপারে থানায় একটি অপমৃত্যু দায়ের করা হয়েছে। তবে ময়না তদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে বুঝা যাবে এটি হত্যা না আত্মহত্যা।